দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : রোববার, ০৪ জানুয়ারি ২০২৬

মীরসরাইয়ে জামায়াতের উদ্যোগে আছিয়া ও খাদিজা পেল মাথা গোঁজার ঠাঁই

মীরসরাইয়ে জামায়াতের উদ্যোগে আছিয়া ও খাদিজা পেল মাথা গোঁজার ঠাঁই

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের ১৩নং ইউনিয়নের অজোপড়াগাঁয়ে বসবাস করেন‌‌ বয়োঃবৃদ্ধ দুই বোন আছিয়া ও খাদিজা। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী সন্তানহারা অসহায় এই দুই বোনের মাথা গোঁজার ছিলোনা কোন‌‌ ঠাঁই। বর্ষায় জলে ভিজে, রোদে পুড়ে, তীব্র শীতে প্রকোপে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছিলেন। 

সাম্প্রতিক বিষয়টি মীরসরাইয়ের ১৩ নং ইউনিয়ন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির নজরে আসলে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক অসহায় দুই নারীর ঘর তৈরি করে দেয়ায় সিদ্ধান্ত নেয় এবং বিষয়টি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মীরসরাই উপজেলা শাখার আমীর ও নেতৃবৃন্দের নজরে আনে। উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দের পরামর্শে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা নিজস্ব অর্থায়নে গত ১ মাসের প্রচেষ্টায় একটি দুই কক্ষ বিশিষ্ট টিনের ঘর নির্মাণ করে দেন।

৪ জানুয়ারি,২০২৬ (রবিবার) সকালে সংসদীয় আসন - ১, মীরসরাই থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির মনোনীত প্রার্থী এ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান আনুষ্ঠানিক ভাবে ওই ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন দরীদ্র দুই নারির কাছে।

চাবি হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত স্বল্প পরিসরে আলোচনা অনুষ্ঠানে নিজের আলোচনাকালে এ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবসময় চেষ্টা করে গরিব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে। তবে জমায়াতের এমন সব জনহিতকর কাজের বিষয় বেশিরভাগ সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা প্রচার মাধ্যমগুলোতে প্রচারিত হয়না। ভালো কাজের পাশাপাশি ভালো কাজগুলো প্রচার করা প্রয়োজন এতে অন্যরাও ভালো কাজে উৎসাহিত হবে ভালো কাজে এগিয়ে আসবে।

এসময় নতুন ঘর পেয়ে আছিয়া আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, একটা ভাঙ্গা ঘর, ভাঙ্গা বেড়া আর ছিদ্রে ভরা ছিলো টিনের চালা। বৃষ্টি হলে ঝরঝর করে পানি পড়ে কাঁথা বালিশ ভিজে যেতো। ভাঙ্গা বেড়া দিয়ে শীতের রাতে উত্তরের বাতাস বিনা বাধায় ঘরে ঢুকে যেতো। তীব্র শীতে কাঁথা মুড়িয়ে ও শীত নীবারণ করতে পারতাম না। জামায়াতের লোকজন ঘরটা করে দিয়েছে আমাদের দুই বোন কে। একপাশে আমি আছিয়া অন্যপাশে আমার বোন খাদিজা থাকবে। জামায়াতের লোকজনের জন্য আমরা দোয়া করি। আমাদের আরেক বোন আছে তার ঘরও ভাঙ্গা। তার ঘরটা করে দিলে তারও থাকার জন্য ভালো হতো।

জামায়াতের স্থানীয় দায়িত্বশীলরা বলেন আমাদের নিজেদের পকেটের টাকায় দুই বোনের জন্য ঘরটি করে দিয়েছি। ভবিষ্যতে যদি সম্ভব হয় অন্য বোনের ঘরটিও করে দেবো ইনশাআল্লাহ।

এসময় উক্ত অনুষ্ঠানে ১৩নং মায়ানীর জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল বৃন্দ সহ উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে উপস্থিত দেখা যায়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মীরসরাইয়ে জামায়াতের উদ্যোগে আছিয়া ও খাদিজা পেল মাথা গোঁজার ঠাঁই

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের ১৩নং ইউনিয়নের অজোপড়াগাঁয়ে বসবাস করেন‌‌ বয়োঃবৃদ্ধ দুই বোন আছিয়া ও খাদিজা। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী সন্তানহারা অসহায় এই দুই বোনের মাথা গোঁজার ছিলোনা কোন‌‌ ঠাঁই। বর্ষায় জলে ভিজে, রোদে পুড়ে, তীব্র শীতে প্রকোপে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছিলেন। 


সাম্প্রতিক বিষয়টি মীরসরাইয়ের ১৩ নং ইউনিয়ন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির নজরে আসলে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক অসহায় দুই নারীর ঘর তৈরি করে দেয়ায় সিদ্ধান্ত নেয় এবং বিষয়টি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মীরসরাই উপজেলা শাখার আমীর ও নেতৃবৃন্দের নজরে আনে। উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দের পরামর্শে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা নিজস্ব অর্থায়নে গত ১ মাসের প্রচেষ্টায় একটি দুই কক্ষ বিশিষ্ট টিনের ঘর নির্মাণ করে দেন।


৪ জানুয়ারি,২০২৬ (রবিবার) সকালে সংসদীয় আসন - ১, মীরসরাই থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির মনোনীত প্রার্থী এ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান আনুষ্ঠানিক ভাবে ওই ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন দরীদ্র দুই নারির কাছে।


চাবি হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত স্বল্প পরিসরে আলোচনা অনুষ্ঠানে নিজের আলোচনাকালে এ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবসময় চেষ্টা করে গরিব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে। তবে জমায়াতের এমন সব জনহিতকর কাজের বিষয় বেশিরভাগ সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা প্রচার মাধ্যমগুলোতে প্রচারিত হয়না। ভালো কাজের পাশাপাশি ভালো কাজগুলো প্রচার করা প্রয়োজন এতে অন্যরাও ভালো কাজে উৎসাহিত হবে ভালো কাজে এগিয়ে আসবে।


এসময় নতুন ঘর পেয়ে আছিয়া আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, একটা ভাঙ্গা ঘর, ভাঙ্গা বেড়া আর ছিদ্রে ভরা ছিলো টিনের চালা। বৃষ্টি হলে ঝরঝর করে পানি পড়ে কাঁথা বালিশ ভিজে যেতো। ভাঙ্গা বেড়া দিয়ে শীতের রাতে উত্তরের বাতাস বিনা বাধায় ঘরে ঢুকে যেতো। তীব্র শীতে কাঁথা মুড়িয়ে ও শীত নীবারণ করতে পারতাম না। জামায়াতের লোকজন ঘরটা করে দিয়েছে আমাদের দুই বোন কে। একপাশে আমি আছিয়া অন্যপাশে আমার বোন খাদিজা থাকবে। জামায়াতের লোকজনের জন্য আমরা দোয়া করি। আমাদের আরেক বোন আছে তার ঘরও ভাঙ্গা। তার ঘরটা করে দিলে তারও থাকার জন্য ভালো হতো।


জামায়াতের স্থানীয় দায়িত্বশীলরা বলেন আমাদের নিজেদের পকেটের টাকায় দুই বোনের জন্য ঘরটি করে দিয়েছি। ভবিষ্যতে যদি সম্ভব হয় অন্য বোনের ঘরটিও করে দেবো ইনশাআল্লাহ।


এসময় উক্ত অনুষ্ঠানে ১৩নং মায়ানীর জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল বৃন্দ সহ উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে উপস্থিত দেখা যায়।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ