শুরু হয়েছে বাঙালির গৌরবময় বিজয়ের মাস—ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসংখ্য বীর শহীদের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং একটি লাল-সবুজ পতাকা। এই ত্যাগের মাসে জাতি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে সেইসব অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের, যাদের কারণে আমরা আজ স্বাধীন রাষ্ট্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি।
বাংলা ভাষা আজ আমাদের পরিচয়—আমাদের অহংকার। স্বাধীনতা না পেলে এই ভাষায় কথা বলার অধিকারও আমরা হারিয়ে ফেলতাম—এমন মন্তব্য করেছেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন। বিজয়ের মাস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,
“বাংলাদেশ যদি স্বাধীন না হতো, কখনোই আমরা বাংলায় কথা বলার স্বাধীনতা পেতাম না। হারিয়ে ফেলতাম আমাদের সামাজিক মর্যাদা, হারাতাম জাতিগত পরিচয়। আজ আমরা গর্ব নিয়ে বলি—আমরা বাঙালি, আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি।”
দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন,
“সকল ধর্ম, সকল শ্রেণী ও সকল রাজনৈতিক মতের মানুষের ঐক্যই পারে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে। দেশবিরোধী অপশক্তি যাতে আর কখনো জাতির উপর নেক্কারজনক হামলা চালাতে না পারে, সেজন্য জাতীয় স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
বিজয়ের মাসকে সামনে রেখে তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় দেশপ্রেমিক জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
গৌরবময় ডিসেম্বর জাতিকে নতুন শক্তি, সাহস এবং দেশপ্রেমের অনুপ্রেরণা যোগাবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
শুরু হয়েছে বাঙালির গৌরবময় বিজয়ের মাস—ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসংখ্য বীর শহীদের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং একটি লাল-সবুজ পতাকা। এই ত্যাগের মাসে জাতি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে সেইসব অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের, যাদের কারণে আমরা আজ স্বাধীন রাষ্ট্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি।
বাংলা ভাষা আজ আমাদের পরিচয়—আমাদের অহংকার। স্বাধীনতা না পেলে এই ভাষায় কথা বলার অধিকারও আমরা হারিয়ে ফেলতাম—এমন মন্তব্য করেছেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন। বিজয়ের মাস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,
“বাংলাদেশ যদি স্বাধীন না হতো, কখনোই আমরা বাংলায় কথা বলার স্বাধীনতা পেতাম না। হারিয়ে ফেলতাম আমাদের সামাজিক মর্যাদা, হারাতাম জাতিগত পরিচয়। আজ আমরা গর্ব নিয়ে বলি—আমরা বাঙালি, আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি।”
দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন,
“সকল ধর্ম, সকল শ্রেণী ও সকল রাজনৈতিক মতের মানুষের ঐক্যই পারে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে। দেশবিরোধী অপশক্তি যাতে আর কখনো জাতির উপর নেক্কারজনক হামলা চালাতে না পারে, সেজন্য জাতীয় স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
বিজয়ের মাসকে সামনে রেখে তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় দেশপ্রেমিক জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
গৌরবময় ডিসেম্বর জাতিকে নতুন শক্তি, সাহস এবং দেশপ্রেমের অনুপ্রেরণা যোগাবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন।

আপনার মতামত লিখুন