ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৫ নং দুওসুও ইউনিয়নের চুনিহাড়ি কাদশুকা গ্রাম থেকে মোছাঃ বালিকা আক্তার নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে বালিয়াডাঙ্গী থানার পুলিশ।
নিহত মোছাঃ বালিকা আক্তার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ২ নং চাড়োল ইউনিয়নের পতিলাভাষা গ্রামের সুজন আলীর স্ত্রী বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে একের পর এক নির্যাতন করতো স্বামী সুজন আলী, সেই নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে প্রায় পাঁচ থেকে ছয়মাস আগে মোছাঃ বালিকা আক্তার তাঁর দুই সন্তান নিয়ে বাবার বাড়ি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চুনিহাড়ি ৫ নং দুওসুও ইউনিয়নের কাদশুকা গ্রামে চলে আসেন। এরপর থেকে তিনি তাঁর বাবার বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। রোববার ভোরে বাবার বাড়ির নিজ শয়নকক্ষে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ জানায়, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৫ নং দুওসুও ইউনিয়নের চুনিহাড়ি কাদশুকা গ্রাম থেকে মোছাঃ বালিকা আক্তার নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে বালিয়াডাঙ্গী থানার পুলিশ।
নিহত মোছাঃ বালিকা আক্তার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ২ নং চাড়োল ইউনিয়নের পতিলাভাষা গ্রামের সুজন আলীর স্ত্রী বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে একের পর এক নির্যাতন করতো স্বামী সুজন আলী, সেই নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে প্রায় পাঁচ থেকে ছয়মাস আগে মোছাঃ বালিকা আক্তার তাঁর দুই সন্তান নিয়ে বাবার বাড়ি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চুনিহাড়ি ৫ নং দুওসুও ইউনিয়নের কাদশুকা গ্রামে চলে আসেন। এরপর থেকে তিনি তাঁর বাবার বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। রোববার ভোরে বাবার বাড়ির নিজ শয়নকক্ষে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ জানায়, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন