দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে এখন উৎসবের বদলে বিষাদের ছায়া। প্রতিবছর অকাল বন্যার আতঙ্ক থাকলেও এবার কৃষকের দুর্দশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দীর্ঘস্থায়ী জলবদ্ধতা
শত শত একর জমির উঠতি বোরো ফসল এখন পানির নিচে পচে নষ্ট হচ্ছে, যা দেখে নির্বাক হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক।
সরেজমিনে বিভিন্ন হাওর ঘুরে দেখা গেছে, অতিবৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় মাঠের পর মাঠ তলিয়ে গেছে।
টানা কয়েকদিনের অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট পানি নামার কোনো পথ না থাকায় তা দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়েছে।
হাওরের বুকজুড়ে এখন শুধু কৃষকের কান্নার শব্দ। হাড়ভাংগা খাটুনি আর ধারদেনা করে লাগানো বোরো ধান যখন ঘরে তোলার সময়, ঠিক তখনই তা পানির নিচে।
পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান গাছগুলো পচে যাওয়ায় সেগুলো এখন গবাদি পশুর খাদ্যেরও অনুপযুক্ত হয়ে পড়ছে।
সারা বছরের খোরাক এই এক ফসলের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু চোখের সামনে সব শেষ হয়ে গেল। এবার খাব কী আর ঋণের টাকাই বা দেব কীভাবে বলছিলেন স্থানীয় এক ভুক্তভোগী কৃষক।
কৃষকদের এই হাহাকার কেবল ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, বরং পুরো জেলার খাদ্য নিরাপত্তার জন্য এক বড় হুমকি।
কৃষকদের দাবী
ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা রোধে পরিকল্পিত টেকসই বাঁধ ও জলাবদ্ধতার পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ না নেওয়া হলে প্রতি বছর এমন হওয়ার আসংখ্যা থাকবে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে এখন উৎসবের বদলে বিষাদের ছায়া। প্রতিবছর অকাল বন্যার আতঙ্ক থাকলেও এবার কৃষকের দুর্দশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দীর্ঘস্থায়ী জলবদ্ধতা
শত শত একর জমির উঠতি বোরো ফসল এখন পানির নিচে পচে নষ্ট হচ্ছে, যা দেখে নির্বাক হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক।
সরেজমিনে বিভিন্ন হাওর ঘুরে দেখা গেছে, অতিবৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় মাঠের পর মাঠ তলিয়ে গেছে।
টানা কয়েকদিনের অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট পানি নামার কোনো পথ না থাকায় তা দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়েছে।
হাওরের বুকজুড়ে এখন শুধু কৃষকের কান্নার শব্দ। হাড়ভাংগা খাটুনি আর ধারদেনা করে লাগানো বোরো ধান যখন ঘরে তোলার সময়, ঠিক তখনই তা পানির নিচে।
পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান গাছগুলো পচে যাওয়ায় সেগুলো এখন গবাদি পশুর খাদ্যেরও অনুপযুক্ত হয়ে পড়ছে।
সারা বছরের খোরাক এই এক ফসলের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু চোখের সামনে সব শেষ হয়ে গেল। এবার খাব কী আর ঋণের টাকাই বা দেব কীভাবে বলছিলেন স্থানীয় এক ভুক্তভোগী কৃষক।
কৃষকদের এই হাহাকার কেবল ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, বরং পুরো জেলার খাদ্য নিরাপত্তার জন্য এক বড় হুমকি।
কৃষকদের দাবী
ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা রোধে পরিকল্পিত টেকসই বাঁধ ও জলাবদ্ধতার পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ না নেওয়া হলে প্রতি বছর এমন হওয়ার আসংখ্যা থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন