দুই দিনের রিমান্ডহযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ১৫ লাখ ৪৭ হাজার টাকার স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার মো. রাশেদের দুই দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোনা চোরাচালানে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জেসমিন আক্তার পপি গ্রেপ্তার রাশেদকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং সোনা চোরাচালান চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।শুনানি শেষে আদালত তাঁর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) আবু বকর।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ অক্টোবর বিকেলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আগমনী টার্মিনালের ১ নম্বর ক্যানোপি এলাকায় অভিযান চালায় ১৩ এপিবিএনের একটি দল। এ সময় পালানোর চেষ্টা করলে মো. রাশেদকে আটক করা হয়।
পরে তাঁর জিন্স প্যান্টের পকেটে তল্লাশি চালিয়ে ৯৯ দশমিক ২ গ্রাম ওজনের সোনার চুড়ি, ব্রেসলেট ও হার উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা এসব স্বর্ণালংকারের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ লাখ ৪৭ হাজার ৫২০ টাকা বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি) ও ২৫ডি ধারায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়। উত্তরা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের উপপরিদর্শক মো. আবুল কালাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
পুলিশের রিমান্ড আবেদনের মূল উদ্দেশ্য হলো উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারের উৎস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা এবং সম্ভাব্য চোরাচালান চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা।এ জন্য রাশেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে উদ্ধার করা স্বর্ণালংকার কোথা থেকে আনা হয়েছিল কিংবা এর সঙ্গে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তদন্তের বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
দুই দিনের রিমান্ডহযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ১৫ লাখ ৪৭ হাজার টাকার স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার মো. রাশেদের দুই দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোনা চোরাচালানে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জেসমিন আক্তার পপি গ্রেপ্তার রাশেদকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং সোনা চোরাচালান চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।শুনানি শেষে আদালত তাঁর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) আবু বকর।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ অক্টোবর বিকেলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আগমনী টার্মিনালের ১ নম্বর ক্যানোপি এলাকায় অভিযান চালায় ১৩ এপিবিএনের একটি দল। এ সময় পালানোর চেষ্টা করলে মো. রাশেদকে আটক করা হয়।
পরে তাঁর জিন্স প্যান্টের পকেটে তল্লাশি চালিয়ে ৯৯ দশমিক ২ গ্রাম ওজনের সোনার চুড়ি, ব্রেসলেট ও হার উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা এসব স্বর্ণালংকারের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ লাখ ৪৭ হাজার ৫২০ টাকা বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি) ও ২৫ডি ধারায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়। উত্তরা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের উপপরিদর্শক মো. আবুল কালাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
পুলিশের রিমান্ড আবেদনের মূল উদ্দেশ্য হলো উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারের উৎস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা এবং সম্ভাব্য চোরাচালান চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা।এ জন্য রাশেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে উদ্ধার করা স্বর্ণালংকার কোথা থেকে আনা হয়েছিল কিংবা এর সঙ্গে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তদন্তের বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন