প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
ঠাকূরগাঁও জেলায় গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার।
মো. আরফান আলী : ||
ঠাকূরগাঁও জেলায় পীরগঞ্জ, লোহাগাড়া, সেনুয়া, নাককাটি, কাতিহার, নেকমরদ, রাণীশংকৈল, জাবরহাট, গোগর, শিবগঞ্জ, হরিপূর নামক স্থানে গো-খাদ্য হিসেবে গম শস্য হাট- বাজার ও ভ্যানে করে বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষক অধিক লাভের আশায় গম ফসল খেত ঘাস পাইকারী কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। গম ফসল তোলার অপেক্ষা না করে একই সময়ে দুইবার গম ঘাস হিসেবে বিক্রি যোগ্য। বাজারে পর্যাপ্ত গিনি, পারা, নেপিয়ার, ভূট্রা ঘাস থাকার পরও গম দানাদার খাদ্যশস্য গো-খাদ্য ব্যবহার করা লক্ষ্য করা যায়। এক বিঘা অর্থাৎ ৫০ শতাংশ জমিতে পরিপক্ব অবস্থায় বিক্রি করলে প্রায় ২২ হাজার টাকা পাওয়া যায়। গো খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করলে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা পাওয়া যাচ্ছে। কৃষকের ভাষ্য মতে, গম পাকানোর চাইতে কাঁচা অবস্থায় বিক্রি করা অধিক লাভ।ঠাকূরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) আলমগীর কবীর জানান," যেটা কৃষক লাভজনক মনে করে সেটা কৃষক ব্যবহার করে। "গম বীজ গো-খাদ্য ব্যবহার ফলে রাসায়নিক সার উচ্চ মাত্রা ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশন এর নির্বাহী পরিচালক কবি ও সাংবাদিক জানান অদূর ভবিষ্যতে গম উৎপাদন ব্যহত হলে গম নির্ভরশীল পণ্য দাম বৃদ্ধি, খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে, গম দ্বারা সুজি,বার্লি, সাগু, আটা, ময়দা, তৈরী হয়।
প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
E-mail: dainikauttareraniuja@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ