প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
আড়াই কেজি কাঁচা মরিচ ১০০ এবং ১০ কেজি আলু ১০০ টাকায়।
মোঃ রাশেদুল ইসলাম , স্টাফ রিপোর্টার ||
চলতি মৌসুমে শীতকালীন শাক সবজিসহ সকল প্রকার তরকারির দাম কমেছে। তবে এর মধ্যে আলুর,পেয়াজ,কাচা মরিচ ও রসুনের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমেছে। যা বিগত কয়েক বছরেও হয়নি। বর্তমানে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ১০ কেজি আলু, পেয়াজ ২ কেজি ১০০ টাকা,রসুন ১ কেজি ৫০ টাকা ও কাচা মরিচ মাত্র ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খুলনার ডুমুরিয়ায় বিভিন্ন হাট বাজার এলাকায় ঘুরে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। চলতি মৌসুমে কৃষকের খেতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে শীতের সবাজির আমদানি বেশি হওয়ায় দাম কমেছে শীতকালীন সবজির। এসব সবজির মধ্যে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, পেঁয়াজের কালি, কাঁচাঝাল ও পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজি প্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা। তবে দাম কমেনি মাছ-মাংসের। ডুমুরিয়া, চুকনগর,শাহপুর, কাঁঠালতলা, আঠারো মাইল,খর্নিয়া, শরাফপুর,মাগুরখালী সহ বিভিন্ন কাঁচা বাজারের তথ্যানুযায়ি প্রতি কেজি বেগুন ৩০/৪০ টাকা, ফুল কপি ১৫/২০ টাকা, বাঁধাকপি ১৫/ ২০ টাকা, শিম প্রকার ভেদে ১০/১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ১৫/২০ টাকা, মূলা ১৫/২০ টাকা, টমেটো ৩০/৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মিষ্টি কুমড়া ২০/৩০ টাকা, কাঁচাঝাল প্রকার ভেদে ৩০/৪০ টাকা কেজি , পেঁয়াজ ৪০/৫০ টাকা, রসুন ৫০/৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম কমেনি মাছ ও মাংসের । আকার ভেদে ইলিশ মাছ ৮৫০/১৪০০ টাকা, চাকা চিংড়ি ৬০০/৭০০ টাকা, দেশি কই মাছ ৯০০/১০০০ টাকা কেজি , ভেটকি মাছ ৬০০/৭৫০ টাকা, রুই মাছ ২৫০/৩২০ টাকা, কাতলা মাছ, ৩০০/৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১০০/১৮০ টাকা, পাঙাশ ১৫০/২২০ টাকা, বাগদা ও গলদা প্রকার ভেদে ৭০০/১৮০০ টাকা, গরুর মাংস ৭০০/৭৫০ টাকা, খাসি ১০০০/১২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।খর্নিয়া বাজারের সবজি বিক্রেতা মগবুল হোসেন বলেন, আমদানি বেশি হওয়ার কারণে বর্তমানে সবজির দাম অনেক কম। দাম কমার সাথে সাথে আমাদের বেচাকেনা কমে গেছে। এখন আগের চেয়ে বিক্রি অনেক কমে গেছে। ১৮ মাইল বাজারের আরেক সবজি বিক্রেতা সোহাগ মোড়ল বলেন, শীতের সবজির আমদানি বেশি হওয়াতে দাম অনেক কম। গত সপ্তাহের চেয়ে এ সপ্তাহে কেজি প্রতি সবজি ২০/৩০ টাকা কমেছে। বাজার করতে আসা নুরু বলেন, সবজির দাম কমলে কী হবে সবজি রান্না করার জন্য যে চিংড়ি মাছ প্রয়োজন তার তো দাম কমেনি। ডুমুরিয়া সদর বাজারের সবজি বিক্রেতা কাওসার বলেন, কাঁচা মালের আড়তে সবজি অনেক বেশি তাই দাম কম। বাজার করতে আসা ধান চাল ব্যবসায়ী নারায়ণ গোসাই বলেন, সবজির দাম আরো কমবে মনে হচ্ছে। দাম কমার কারণে এক সাথে একটু বেশি বাজার করি। যাতে দু- চার দিনে বাজারে না আসা লাগে। শাহপুর খুচরা বাজারের সবজি বিক্রেতা মাসুদ বলেন, সবজির দাম কমাতে আমাদের আয় কিছুটা কমেছে। আগে যে সবজি ৭০/৮০ টাকা বিক্রি করতাম তা এখন কমে ২০/২৫ টাকা হয়েছে। বাজার করতে আসা ব্রাক এনজিও কর্মকর্তা সালাম মুন্সি বলেন, বাসা থেকে বের হলে সামনে শুধু সবজি পড়ে ভ্যানে সবজি, রাস্তার উপর সবজি, বাজারে সবজি। শিত মৌসেমে খাদ্য খাবারে ভালোই আছি।
প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
E-mail: dainikauttareraniuja@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ