প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫
জমি নিয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪
মোঃ শাকিল আহামাদ রাজশাহী ||
রাজশাহী মোহনপুর উপজেলার বেড়াবাড়ি গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘাতের আহত ৪। গত ২১ নভেম্বর সকাল সাতটায় দুপক্ষের সংঘর্ষে ঘটে। এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদিগন সকাল বেলায় নিজেদের জমিতে গম চাষ করে নিজ বাড়ির দিকে আসেন। এ সময় রাস্তায় বিবাদীগণ এজাহারে উল্লেখিত যথা ১। মোঃ মোমিন (৫৫), পিতা-মৃত বদর উদ্দিন, ২। মোঃ মুতালিব (১৯), পিতা-ওবাইদুল, ৩। মোঃ শামিম (৩৪), পিতা-মোঃ মোমিন, ৪। মোঃ সোহান (২০), পিতা-মোঃ রহমত, ৫। মোঃ রহমত (৪৫), পিতা-মৃত আঃ রহিম, ৬। মোঃ কেরামত (৪০), পিতা-মোঃ আঃ রহিম, ৭। মোঃ মনি (৩০), পিতা-মোঃ বদর, ৮। মোঃ রিয়াদ (২২), পিতা-মৃত হোসেন, ৯। মোঃ রনি (২৬), পিতা-মোঃ মোমিন, ১০। মোঃ জনি (২২), পিতা-মোঃ মোমিন, ১১। মোঃ রোহান (২৫), পিতা-মোঃ কেরামত, ১২। মোঃ মুঞ্জুর সরদার (৩৫), পিতা-মৃত বদর উদ্দিন সরদার, সর্ব সাং-বেড়াবাড়ী, থানা-মোহনপুর সকলেই তাদের উপরে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র যথা সাবল, দা, হাসোয়া, লোহার রড, কোকিল, ইত্যাদি নিয়ে আক্রমণ করে। এ সময় বাদী আক্কাস আলী সহ তার ভাইদের উপরে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর যখন করে। পরবর্তীতে তাদেরকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো। মেডিকেল থেকেসুস্থতা হয়ে বাড়ি ফিরে এসে শোনেন তাদের নামে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। পরবর্তীতে তারা কোর্টে জাবিন নিতে গেলে তাদের উপরে পাল্টা আক্রমণ করে বিবাদীগণ এজাহারে উল্লেখিত। অপরদিকে বাদী পক্ষ নিজ বাসা বাড়ি বা এলাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছে বলে দাবি করেন। তারা বলেন আমাদেরকে বিভিন্ন সময় হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছেন। পরবর্তীতে বিবাবাদী পক্ষ বাকি কক্ষের অনেকগুলো আম গাছ কলা কাজ কেটে ফেলে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকার ক্ষতিগ্রস্ত করে।পরবর্তীতে মোসাঃ রুনা বেগম (৫৪), পিতা-মৃত ঝুমর মোল্লা, স্বামী-মোঃ মফেজ সরদার, সাং-বেড়াবাড়ী, থানা-মোহনপুর, জেলা-রাজশাহী, থানায় হাজির হয়ে একটি মামলা করেন। মোঃ আক্কাস আলী বলেন, আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে আমাদেরকে গুরুতর যখন করে উল্টো আমাদের নামে মামলা করে । তারা দাবি করেন আমাদের নামে মিথ্যা মামলা তাহার করে দোষীদের কে যেন আইন শাস্তি দেয়। তারা আরো দাবি করেন জমি যদি তারা পেয়ে থাকে কাগজপত্র নিয়ে আমরা তাদেরকে জমি দিয়ে দেবো। আর তারা যদি না নিয়ে আসতে পারে তাহলে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি আমাদেরকে বুঝিয়ে দেওয়া হোক। বাদী মোসা: রুনা বেগম এজাহারে বর্ণনা করেন, বাড়ীর উত্তর পাশে আমাদের নিম্ন তফশিল ভুক্ত জমিতে আমার স্বামী মোঃ মফেজ সরদার (৫৫), বড় ভাসুর সৈয়দ আলী (৬৩), মেঝ ভাসুর মোঃ ময়েদ আলী (৬০), দেবর মোঃ প্রতি আফাজ (৪০) এবং ছোট দেবর মোঃ আক্কাস (৩৬) সহ গম রোপন করতে লাগলে উপরোক্ত বিবাদীগন আমাদের 20জমিতে অবৈধ ভাবে প্রবেশ করে তাদের গম রোপন করতে বাধা দেয়। বড় ভাসুর সৈয়দ আলী কারণ জানতে চাইলে ১নং বিবাদীর হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মেঝ ভাসুর মোঃ ময়েদ আলী (৬০) এর মাথার বাম পাশে কোপ দিয়ে গুরুত্ব রক্তাত্ত জখম করে এবং হুকুম প্রদান করে শালাদের মার। তখন ২নং, ৩নং ও ২নং বিবাদীর হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে মেরে রক্তাক্ত জখম করে। ৫নং বিবাদীর ১০ হাতে থাকা কোদাল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার দেবর মোঃ আফাজ (৪০) এর বাম চোখের নিচে কোপ দিয়ে ৩ গুরুত্ব রক্তাত্ত জখম করে এবং ৬নং বিবাদীর হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে মাথার সামনের অংশে আঘাত করে গুরুত্ব স্নক্তাত্ত জখম করে। ৭নং বিবাদীর হাতে থাকা লোহার সাবল দ্বারা আমার ছোট দেবর মোঃ আক্কাস (৩৬) এর ডান ৭ হাতের হানার উপর মেরে হানার হাড় ভেঙ্গে ফেলে এবং ৮নং বিবাদীর হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা তার বাম হাতের কুনুর উপর মেরে কুনুর হাড় ভেঙ্গে ফেলে। আমার ভাসুরের ছেলে মোঃ মাসুদ (৩৫) এগিয়ে আসলে ৯নং -মর্ধবাদীর হাতে থাকা কোদাল দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে তার মাথার পিছনে মেরে রক্তাক্ত গুরুত্বর কাটা জখম করে এবং ১ ১০নং নং বিবাদীর হাতে থাকা বাশের লাঠি দ্বারা আমার বড় ভাসুর সৈয়দ আলী এবং ১১নং বিবাদী লাঠি দ্বারা তার ছেলে মাসুদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে মেরে গুরত্ব জখম করে। ১২ নং বিবাদী হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা আমার স্বামী মোঃ মফেজ সরদারকে এলোপাতারি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলা ফোলা জখম করে। সাক্ষী-১। মোঃ এরাদ (৩২), পিতা-মোঃ সের আলী, ২। মোঃ আমজাদ (৩০), পিতা-মোঃ আঃ রাজ্জাক, ৩। মোঃ মতিউর (২২), পিতা-মোঃ মফেজ, সর্ব সাং--বেড়াবাড়ী, থানা-মোহনপুর, জেলা- রাজশাহীসহ আরো অনেকেই এগিয়ে আসলে উক্ত বিবাদীগন আমাদের প্রান নাশের হুমকি সহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদান করে যাবার সময় পাশের জমি থাকা ২০টি কলা গাছ আমা গাছ ৫টি কেটে প্রায় ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকার ক্ষতি সাধন করে। সাক্ষীদের - সহযোগীতায় আমি এবং আমার ভাসুরের ছেলে জাসুদ (৩০) তাদেরকে মাহিন্দ্রা যোগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। চিকিৎসা কাজে ব্যস্ত থাকায় এবং আমার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের সহিত আলোচনা করিয়া থানা আসিয়া অভিযোগ দায়ের করি।
প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
E-mail: dainikauttareraniuja@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ