প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
জাজিরায় বারোটি মাদ্রাসার এতিমদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ কথিত হুজুর লোকমান বিরুদ্ধে
মোঃ সালমান রহমান : ||
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পূর্ব নাওডোবা দারুল কোরআন ওমরিয়া মাদ্রাসার বড় হুজুর মোহাম্মদ লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে ১২টি মাদ্রাসার এতিমদের প্রায় ১২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার একটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বড় হুজুর মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বিভিন্ন মাদ্রাসার নামে জাল বা ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সরকারি ও বেসরকারি তহবিল থেকে প্রায় ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 'তাহফিজুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসা' এবং 'দারুস সুন্নাহ সাহারা বেগম মহিলা মাদ্রাসা'—এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোনো ‘লিল্লাহ বোর্ডিং’ বা এতিমখানা না থাকা সত্ত্বেও কোনো প্রকার মাঠপর্যায়ের তদন্ত ছাড়াই বরাদ্দ পাস করিয়ে নেওয়া হয়।আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং রাজনৈতিক পরিচয় (বিএনপি) ব্যবহার করে হুমকি প্রদান করেন। এ বিষয়ে জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর এর কাছে জানতে চাইলে তিনি তদন্তের আশ্বাস দিয়ে আইনি পদক্ষেপ নিবেন বলে জানান। উপজেলার ধর্মপ্রাণ মুসলমানগন মনে করেন, অবিলম্বে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা থেকে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হউক। তারা সরেজমিনে মাদ্রাসাগুলো পরিদর্শন করবেন এবং লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের অস্তিত্ব ও ব্যয়ের নথিপত্র যাচাই করবেন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক বা বড় হুজুরকে আত্মসাতের বিষয়ে লিখিত ও সশরীরে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য কারণ দর্শানো (শো-কজ) নোটিশ দিবেন। তদন্তে জালিয়াতি এবং টাকা আত্মসাতের প্রমাণ মিললে সরকারি আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সাথে ফৌজদারি দণ্ডবিধি অনুযায়ী মামলা দায়ের করে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের দুর্নীতি বা সরকারি অর্থ আত্মসাতের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যালয়ে সরাসরি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তদন্তের গতি সচলরাখা দরকার বলে মনে করেন সচেতন মহল।
প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
E-mail: dainikauttareraniuja@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ