প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
জয়মনিতে সুন্দরবন সংরক্ষণে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত।
মোঃ মহিম ইসলাম মোংলা প্রতিনিধিঃ ||
সোমবার (২০ জুলাই) মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের জয়মনি ওয়াইল্ডটিমের উদ্যোগে "আর্থস্কাউটের সদস্যদের নিয়ে সুন্দরবন সংরক্ষণে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন রক্ষায় এবার মাঠে নেমেছে ওয়াইল্ড টিম। মোংলার জয়মনি ওয়াইল্ড টিমের উদ্যোগে আর্থস্কাউটের সদস্যদের নিয়ে সম্পন্ন হয়েছে সুন্দরবন সংরক্ষণে পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ। সুন্দরবনের চারপাশের প্রতিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ রোধে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে আর্থ স্কাউটদের সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব, বনের বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় সকলের ভূমিকা এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক ধারণা দেওয়া হয়।প্রশিক্ষণ জয়মনি এলাকার সুন্দরবন সংলগ্ন লোকালয় ও নদীতীর বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে পলিথিন, প্লাস্টিক ও অন্যান্য ক্ষতিকর বর্জ্য অপসারণ করেন বিষয়ে শিখানো হয়। এ সময় মোংলা উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে আসা ছাত্র ছাত্রীরা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশগ্রহণ করেন।প্রধান অতিথির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা দিপন চন্দ্র রায়। প্রধান অতিথি বলেন, সুন্দরবন আমাদের মা। একে বাঁচিয়ে রাখতে হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সচেতন করতে হবে। আর্থ স্কাউটরা আজ যেভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রশিক্ষণ নিচ্ছে, এটা অবশ্যই তাদের কাজে আসবে। যতই তোমারা শিখবে পরিবেশ সুন্দর থাকবে। এটি একটি পুরো উপকূলীয় এলাকার জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা।এই প্রশিক্ষণ থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি। সুন্দরবনকে পলিথিনমুক্ত রাখতে হবে। বন্ধু ও প্রতিবেশীদেরও সচেতন করতে হবে এবং নিয়মিত এমন পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে হবে। তরুণ ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে ওয়াইল্ড টিমের দায়িত্বশীল উদ্যোগ সুন্দরবনকে পলিথিন ও প্লাস্টিকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই প্রত্যাশা করেন এই বন কর্মকর্তা।ওয়াইল্ড টিমের পরবর্তী পরিকল্পনা রয়েছে ১৫টি বিদ্যালয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা তৈরি করে দেওয়া। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং উপকূলীয় পরিবেশকে প্লাস্টিকমুক্ত রাখতেই এই মহতি উদ্যোগ। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আয়োজনে আরও ছিল অনুপ্রেরণামূলক এক পর্ব। আর্থ স্কাউটদের বিশেষ কর্মতৎপরতা ও কাজের স্বীকৃতির স্বরূপ তাদের প্রদান করা হয় গোল্ড, সিলভার ও ব্রোঞ্জ ব্যাজ। স্কাউটদের এই স্বীকৃতি তাদের ভবিষ্যতে আরও উদ্যমী হয়ে কাজ করতে উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
E-mail: dainikauttareraniuja@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ